মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

তাইওয়ানের আশপাশে চীনা জাহাজের তৎপরতা বেড়েছে

Author avatar
উত্তর আমেরিকা অফিস

সোমবার, জুলাই ২০, ২০২৬

তাইওয়ানের আশপাশে চীনা জাহাজের তৎপরতা বেড়েছে

তাইওয়ানের আশপাশের সমুদ্র এলাকায় চীনা সরকারি জাহাজের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির কোস্টগার্ড। তাইপের ওপর বেইজিংয়ের ক্রমবর্ধমান চাপের মধ্যেই এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়, তাইওয়ানের অভিযোগ, চীন প্রায় প্রতিদিনই দ্বীপটির আশপাশে সামরিক বিমান, যুদ্ধজাহাজ এবং কোস্টগার্ডের জাহাজ মোতায়েন করছে। যদিও তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ড হিসেবে চীনের দাবি বরাবরই প্রত্যাখ্যান করে আসছে তাইপে।

তাইওয়ানের কোস্টগার্ডের এক কর্মকর্তা জানান, চলতি বছরের জুন মাসে তাইওয়ান ও আশপাশের দ্বীপগুলোর জলসীমায় ২৬৩টি চীনা সরকারি জাহাজ শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে কোস্টগার্ড, উদ্ধারকারী এবং গবেষণা জাহাজ রয়েছে। মে মাসে এ সংখ্যা ছিল ২০০ এবং ২০২৫ সালের জুনে ছিল ১৭১। তবে এ পরিসংখ্যানে চীনের যুদ্ধজাহাজ অন্তর্ভুক্ত নয়।

তিনি বলেন, বেইজিং তথাকথিত ‘গ্রে জোন’ কৌশলের মাধ্যমে সরাসরি সামরিক সংঘাতে না জড়িয়েই তাইওয়ানের ওপর চাপ বাড়ানোর চেষ্টা করছে। জুন মাসে এ ধরনের কার্যক্রমে ব্যবহৃত সরকারি জাহাজের সংখ্যা ও তৎপরতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

গত মাসে চীন প্রথমবারের মতো তাইওয়ানের পূর্ব উপকূলে ‘আইন প্রয়োগকারী টহল’ শুরু করে। তাইওয়ান এ পদক্ষেপকে উসকানিমূলক বলে উল্লেখ করেছে।

এ ছাড়া প্রথমবারের মতো চীনের কোস্টগার্ড তাইওয়ানের পাশ দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর সঙ্গে রেডিও যোগাযোগ করে নাবিকদের পরিচয় ও গন্তব্য সম্পর্কে তথ্য জানতে চেয়েছে।

তাইওয়ানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, চীনের উদ্দেশ্য শুধু জাহাজ চলাচলে নজরদারি করা নয়; প্রয়োজন হলে তাইওয়ানের বন্দরে পণ্যবাহী জাহাজের প্রবেশ ব্যাহত করে দ্বীপটিকে সরবরাহ সংকটে ফেলার সক্ষমতা অর্জন করাও তাদের কৌশলের অংশ।

এমন পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য অবরোধ বা কোয়ারেন্টাইন পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতি হিসেবে শিগগিরই সরাসরি মহড়া পরিচালনা করবে তাইওয়ানের কোস্টগার্ড।