রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

শি–ট্রাম্প ফোনালাপের পর এপ্রিলেই বেইজিং সফরে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট

Author avatar
উত্তর আমেরিকা অফিস

মঙ্গলবার, নভেম্বর ২৫, ২০২৫

শি–ট্রাম্প ফোনালাপের পর এপ্রিলেই বেইজিং সফরে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট

চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে এক বিস্তারিত ফোনালাপের পর আগামী এপ্রিল মাসে বেইজিং সফরের বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (২৪ নভেম্বর ) -এর  এই ফোনালাপকে দুই দেশের সাম্প্রতিক কূটনৈতিক অগ্রগতির গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। অন্যদিকে ট্রাম্পও আগামী বছরের শেষের দিকে শি চিনপিংকে যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রীয় সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

ওয়াশিংটন ও বেইজিং—দুই পক্ষই পৃথক বিবৃতিতে জানিয়েছে, প্রায় এক ঘণ্টার আলাপচারিতায় দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক রাজনীতি পর্যন্ত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট জানান, ফোনালাপে বাণিজ্য ইস্যুটি প্রাধান্য পেলেও রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধ, ফেন্টানিল সংকট এবং তাইওয়ান প্রশ্নও গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য ছিল।

আলোচনার সময় শি জিনপিং স্পষ্ট করে বলেন, চীনের ‘যুদ্ধপরবর্তী আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার’ রূপকল্প বাস্তবায়নে তাইওয়ানের চীনে ফিরে আসা অপরিহার্য।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প মন্তব্য করেছেন, “চীনের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক এখন অত্যন্ত দৃঢ় অবস্থানে।” অন্যদিকে চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থার এক বিবৃতিতে বলা হয়, পারস্পরিক সম্মান, সমতা ও সহযোগিতার ভিত্তিতেই দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে যেতে পারে।

এর আগে প্রায় এক মাস আগে দক্ষিণ কোরিয়ার বুসানে দুই নেতার সরাসরি বৈঠক হয়েছিল, যেখানে শুল্কসংক্রান্ত উত্তেজনা কমাতে আংশিক যুদ্ধবিরতিতে দুই পক্ষ সম্মত হয়েছিল। ফেন্টানিল প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্র ২০ শতাংশ শুল্ককে কমানোর ঘোষণা দেয়। এর পরই চীন বিরল খনিজ রপ্তানি সীমিত করার পরিকল্পনা স্থগিত করে।

বর্তমানে মার্কিন বাজারে চীনা পণ্যের ওপর গড় শুল্ক ৫০ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে—যা দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।