আন্তর্জাতিক বাজারে শুক্রবার স্বর্ণের দাম প্রায় অপরিবর্তিত অবস্থায় রয়েছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের ফলন কমে যাওয়ায় স্বর্ণ ধারণের খরচ কমেছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় অগ্রগতির সম্ভাবনা এবং শক্তিশালী ডলারের প্রভাব দামকে সামান্য ভারসাম্য দিয়েছে।
আজ স্পট গোল্ডের দাম জিএমটি সময় ০৩:০১ মিনিটে প্রতি আউন্স ৫,১৮৪.৬৯ ডলারে অবস্থান করছে। ফেব্রুয়ারিতে স্বর্ণের দাম ৬ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে, ফলে এটি টানা সপ্তম মাসের মতো ঊর্ধ্বমুখী ধারা বজায় রাখছে। যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক নীতি ও মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা বাড়াচ্ছে। এদিকে, এপ্রিল ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের স্বর্ণ ফিউচারস ০.২ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৫,২০১.৪০ ডলারে লেনদেন হয়েছে।
দেশীয় বাজারে আজ (২৭ ফেব্রুয়ারি) স্বর্ণের দামও নতুনভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা। ২১ ক্যারেটের দাম ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৬৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম প্রতি ভরি ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুস আরও জানিয়েছে, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গয়নার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির পরিমাণ কিছুটা ভিন্ন হতে পারে।
এই পরিবর্তনের ফলে স্থানীয় ক্রেতাদের স্বর্ণের বাজারের বর্তমান অবস্থা নিয়ে সঠিক ধারণা পাওয়া যাবে।
