ইরান জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী ১৬০টিরও বেশি শত্রু ড্রোন ভূপাতিত করেছে। ইরানের জাতীয় আকাশ প্রতিরক্ষা যৌথ সদর দপ্তরের এক শীর্ষ কর্মকর্তা এই তথ্য জানিয়েছেন।
শনিবার (৪ এপ্রিল) আলজাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইরানের সরকারি সংবাদ সংস্থা আইএসএনএ এক বিবৃতিতে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অলিরেজা এলহামি বলেন, আধুনিক দেশীয় প্রযুক্তি ও কৌশল ব্যবহার করে তারা শত্রুপক্ষের যুদ্ধবিমান এবং ড্রোন মোকাবিলা করছে। ভূপাতিত ড্রোনগুলোর মধ্যে হার্মিস ও লুকাস মডেলের ড্রোনও রয়েছে।
এলহামি বলেন, নতুন প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি ও কৌশলের কারণে শত্রুপক্ষ বিভ্রান্তিতে পড়েছে এবং বর্তমানে ইরানের আকাশসীমা আরও সুরক্ষিত।
এর আগে একদিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পাঁচটি ড্রোন-যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছে ইরান। আইআরজিসি জানিয়েছে, একদিনে অন্তত দুটি যুদ্ধবিমান, দুটি ক্ষেপণাস্ত্র এবং তিনটি ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে। এই ঘটনাকে তারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমানবাহিনীর জন্য ‘কালো দিন’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
আইআরজিসি আরও জানিয়েছে, খোমেইন ও জানজান অঞ্চলে দুটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করা হয়েছে। এছাড়া ইসফাহানে দুটি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন এবং বুশেহরে একটি হারমেস ড্রোন ভূপাতিত হয়েছে। একই দিনে মধ্য ইরানে একটি উন্নত যুদ্ধবিমান ধ্বংসের খবরও এসেছে; ওই বিমানের পাইলট নিখোঁজ রয়েছে। হরমুজ প্রণালির কাছে দক্ষিণাঞ্চলের আকাশে একটি এ-১০ থান্ডারবোল্ট, (ওয়ার্থগ) যুদ্ধবিমানও গুলি করে ভূপাতিত করা হয়েছে এবং পরে এটি পারস্য উপসাগরে বিধ্বস্ত হয়েছে।
ইরান জানিয়েছে, এসব প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ তাদের ওপর চালানো হামলার জবাব হিসেবে নেওয়া হয়েছে। সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অধীনে নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করে অভিযানগুলো পরিচালিত হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আকাশসীমা আরও সুরক্ষিত রাখা হবে।
