বুধবার, ১৯ আগষ্ট ২০২৬

জ্যাকসন হাইটসে বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুবার্ষিকীতে জায়নামাজ বিতরণ ও রক্তদান কর্মসূচি

Author avatar
উত্তর আমেরিকা অফিস

মঙ্গলবার, আগস্ট ১৮, ২০২৬

জ্যাকসন হাইটসে বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুবার্ষিকীতে জায়নামাজ বিতরণ ও রক্তদান কর্মসূচি

নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচিতে প্রায় দেড় হাজার মানুষের মধ্যে খাবার ও জায়নামাজ বিতরণ ও প্রায় ৪০ জন স্বেচ্ছায় রক্তদান করেছেন। জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসীর উদ্যোগে দিনব্যাপী এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। শনিবার (১৫ আগস্ট) নবান্ন রেস্টুরেন্টের সামনে আয়োজিত কর্মসূচিতে দুপুর ১টা থেকে রক্তদান কার্যক্রম শুরু হয়। বিকেল ৩টা থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে খাবার ও জায়নামাজ বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে তাজা আমের জুসও বিতরণ করা হয়।

কর্মসূচির শুরুতে আগস্ট মাসে নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মুনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন ইমাম কাজী কাইয়ুম। মুনাজাত শেষে উপস্থিত মানুষের মধ্যে খাবার, তবারক ও জায়নামাজ বিতরণ করা হয়।

সভাপতি সাকিল মিয়া বলেন, “প্রবাসে বসবাস করলেও বাংলাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে প্রবাসীদের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। নতুন প্রজন্মের কাছে দেশের ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা তুলে ধরার পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সবাইকে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যেই এ ধরনের আয়োজন করা হয়েছে।”

চেয়ারম্যান রেদোয়ানুল হক বলেন, “১৫ আগস্টের মতো একটি ঐতিহাসিক ও শোকাবহ দিনে প্রবাসে থেকেও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং ওই দিনের শহীদদের স্মরণ করা আমাদের দায়িত্ব। একই সঙ্গে কমিউনিটির মানুষের কল্যাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।”

অনুষ্ঠানে জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসীর সভাপতি সাকিল মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলম নমি, আহ্বায়ক মীর নিজামুল হক, সদস্য সচিব মামুন মিয়াজী, চেয়ারম্যান রেদোয়ানুল হক ও প্রধান সমন্বয়ক শাহ জে চৌধুরী, অনুষ্ঠানের প্রধান উপদেষ্টা শাহ নেওয়াজ, প্রধান পৃষ্ঠপোষক এম এ আজিজ ও আসেফ বারী টুটুল, অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী, ফাহাদ সোলায়মানসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা অংশ নেন।

আয়োজকরা জানান, বাংলাদেশের ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং ১৫ আগস্টের শহীদদের স্মরণের পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে সামাজিক দায়বদ্ধতা ও মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করাই এ আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য। ভবিষ্যতেও রক্তদান, খাদ্য ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণসহ বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মসূচি অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।