নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি ১২৪ বিলিয়ন ডলারের নতুন বাজেট ঘোষণা করেছেন, যেখানে সাধারণ নিউইয়র্কবাসীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সেবাখাতে কোনো কাটছাঁট রাখা হয়নি। মঙ্গলবার বিকেলে ঘোষিত এই বাজেটে লাইব্রেরি, স্কুল, পার্ক এবং সাশ্রয়ী আবাসনের মতো জরুরি সেবাগুলোকে সুরক্ষিত রাখা হয়েছে।
মেয়র কার্যালয় জানিয়েছে, আগের প্রশাসনের রেখে যাওয়া ১২ বিলিয়ন ডলারের বাজেট ঘাটতি পূরণ করেই এই বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। এর ফলে জনসেবা খাতে ব্যয় কমানোর পরিবর্তে সেবার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে।
এ বাজেট ঘোষণার পর প্রতিক্রিয়া জানিয়ে সামাজিক সংগঠন “ড্রাম—ডিসাইডিং টু রাইজ আপ অ্যান্ড মুভ”-এর নির্বাহী পরিচালক ফাহাদ আহমেদ বলেন, শ্রমজীবী মানুষের পক্ষে অবস্থান নেওয়া একটি প্রশাসন এবং শক্তিশালী গণআন্দোলনের কারণেই এই বাজেট সম্ভব হয়েছে।
তিনি বলেন, বহু বছরের মধ্যে এবারই প্রথম দেখা গেল—অ্যালবানির রাজনৈতিক চাপ এবং গভর্নর ক্যাথি হোকুলের অবস্থানের মধ্যেও এমন একটি বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে, যেখানে ধনীদের ওপর কর বাড়ানোর মাধ্যমে সমাধান খোঁজা হয়েছে, কিন্তু সাধারণ মানুষের সেবায় কোনো কাটছাঁট করা হয়নি।
ফাহাদ আহমেদ আরও বলেন, প্রতি বছর লাইব্রেরি ও স্কুলের বাজেট নিয়ে রাজনৈতিক নাটক হওয়া উচিত নয়। যখন বড় বড় করপোরেশন রেকর্ড মুনাফা করছে এবং ফেডারেল সরকার বিলিয়নিয়ারদের কর ছাড় দিচ্ছে, তখন অ্যালবানির উচিত ধনীদের আরও বেশি করের আওতায় আনা।
নতুন এই বাজেটকে সাধারণ নিউইয়র্কবাসীর জন্য স্বস্তির বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে শিক্ষা, গণসেবা এবং আবাসন খাতে বরাদ্দ অক্ষুণ্ন রাখার সিদ্ধান্তকে অনেকেই ইতিবাচক হিসেবে মূল্যায়ন করছেন।
